প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।সু-প্রাচীনকাল থেকে এদেশের মানুষ রোগ আরোগ্যের জন্য ভেষজ উদ্ভিদ ব্যবহার করে আসছে। মূলত যেসব উদ্ভিদের রোগ নিরাময় ক্ষমতা থাকলে তাকে ভেষজ উদ্ভিদ বলে। এমনি উপকারী সর্বভেষজগুণ সম্পূর্ণ হচ্ছে নিম গাছ, যা কিনা আমাদের চারপাশেই পাওয়া যায়।আগেকার দিনে ক্ষয়রোগ, কৃমি প্রভৃতি রোগে নিমের উপকারিতার প্রমাণ পাওয়া যায়। দূষিত বায়ু বা অন্য কোনো কীটের উপদ্রব থেকে রক্ষা করতে এর ভূমিকা আছে।নিমগাছের ঔষধি গুণাগুণনিমের ছাল অজীর্ণ রোগে চার-পাঁচ গ্রাম নিমের ছাল এক কাপ গরম জলে রাতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে উপকার পাওয়া যায়। যেকোনো বয়সে স্বপ্নদোষে নিমের ছালের রস ২৫-৩০ ফোঁটা কাঁচা দইসহ সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়।এলার্জি ক্ষেত্রেগায়ে চুলকানি বা শরীরে সর্বদা চুলকায় সে ক্ষেত্রে শুকনা নিমপাতা তেলে ভেজে ভাতের সাথে খেলে সপ্তাহের মধ্যে এ অসুবিধা থাকে না।কৃমির ক্ষেত্রেগুঁড়ো কৃমি পাঁচ-সাতটি নিমপাতা গুঁড়ো করে খেলে ফলদায়ক হয়।রাতকানা রোগের ক্ষেত্রেনিমফুল রাতকানা রোগে নিমের ফুল ভেজে খেলে এ অসুবিধা থাকে না।ক্ষতের ক্ষেত্রেদীর্ঘ দিনের ক্ষতে নিমের ছাল জ্বাল দিয়ে কাথ করে খেলে ক্ষতের আরোগ্য হয়।বমি কমানোর ক্ষেত্রেবেশি বমি হলে পাঁচ-সাত ফোঁটা নিমপাতার রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে বমিভাব থাকে না।জ্বালা-পোড়া ক্ষেত্রেতিন-চারটি নিমপাতা ও এক গ্রাম কাঁচা হলুদ একসাথে বেটে খালি পেটে খেলে প্রস্রাব জ্বালা-পোড়া ও গায়ের চুলকানি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।বহুমুত্র রোগের ক্ষেত্রেযেসব বহুমূত্র রোগীর গায়ের ঘা সহজে সারতে চায় না, সে ক্ষেত্রে নিমের বাটা এ থেকে দেড় গ্রাম মাত্রায় দুধের সাথে খেলে উপকার পাওয়া যায়।যকৃতের ব্যাথ্যা বেদনার ক্ষেত্রেএক গ্রাম নিমের ছাল, আধা গ্রাম কাঁচা হলুদ ও এক গ্রাম আমলকীর গুঁড়ো সকালে খালি পেটে এক সপ্তাহ খেলে যকৃতের ব্যথা উপশম হয়।এছারাও মশা ও পোকাদমনেও নিম পাতা অত্যান্ত কার্যকরী।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও