প্রিয় গ্রাহক, আপনাকে প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। খাবারের রুচি বাড়ানো আর খাবারের অতিরিক্ত তেলচর্বির ধাক্কা সামলাতে শসার তুলনা হয় না। শসাতে পানি আছে শতকরা ৯৫ ভাগ। ফলে এটি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে এবং ভেতরের তাপমাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে দেহ শীতল রাখতে সহায়তা করে। শসায় ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। প্রতি ১০০ গ্রাম শসায় আছে মাত্র ১৫ ক্যালরি। এতে কোনো সম্পৃক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। শশাতে আছে ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভাব। শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল নামে তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে এগুলর জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে। হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়ক শসায় আছে ভিটামিন সি, সিলিকা, পটাসিয়াম, ম্যাগনিসিয়াম ও খাবার উপযোগী আঁশ, শশাতে বিদ্যমান এসব উপাদান শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। শসায় থাকা খনিজ সিলিকা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। নিয়মিত শসা খেলে কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়। শশাকে রূপচর্চা্র কাজে ব্যাবহার করা হয়। এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয় তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আপনার আর কনো জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের প্রশ্ন করুন। মায়া সবসময় আপনাদের পাশে আছে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও